গীতবিতান-GITABITAN
আমার নয়ন-ভুলানো এলে

Book Cover

রচনা পরিচিতি
রচনাকাল:  ৭ ভাদ্র ১৩১৫ (১৯০৮)
কবির বয়স: ৪৭
রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন
প্রকাশ: ভাদ্র ১৩১৫ , শারদোৎসব র-র ৭ |
গীতাঞ্জলি ১৩ (১৯১০) র-র ১১;গান (বিবিধ); ঋণশোধ (১৩২৮); র-র ১৩
গীতবিতান(পর্যায়;#/পৃ): প্রকৃতি-শরৎ; ১৪৬/৪৮৪
রাগ / তাল: ছায়ানট-বাউল / দাদরা
স্বরলিপি: সঙ্গীত প্রকাশিকা; সঙ্গীতগীতাঞ্জলি; শেফালি; স্বরবিতান ৫০ (শেফালি)
স্বরলিপিকার: সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়; ভীমরাও শাস্ত্রী; দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর; ঐ
পাদটিকা:
দ্বিতীয় দৃশ্যে ঠাকুরদাদার গান।  

আলোচনা

"বর্ষা গেল, খুব ভালো করিয়া শারদোৎসব করিবার জন্য কবি উৎসুক হইলেন। ... কবি লাগিয়া গেলেন শরৎকালের উপযুক্ত সব গান রচনা করিতে। একে একে অনেকগুলি গান রচিত হইল। ক্রমে তাঁহার মনে হইল গানগুলিকে একটি নাট্যসূত্রে বাঁধিতে পারিলে ভালো হয়। তাহার পর তৈয়ারি হইয়া উঠিল শারদোৎসব নাটক।...তখন তিনি প্রকৃতির শুধু আনন্দরূপটিই দেখিতেছেন। ক্রমে তাঁহার মনে আসিল একটি গভীর তত্ত্বকথা। বর্ষায় এই পৃথিবী আকাশ থেকে অজস্র রসধারা পায়, শরতে সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধিতে পৃথিবী তাহা ফিরাইয়া দিয়া ঋণ শোধ করে -- এই কথাই গুরুদেবের মনের মধ্যে তখন ছিল ভরপুর হইয়া। সেই কথাটাই শারদোৎসবের বীজ-সত্য।"  

"আশ্রমে আমার ঠাকুরদাদা নামটি চলিত হইয়া পড়িয়াছিল। কবি ভাবিয়াছিলেন আমি ভালো গাহিতে পারি, সেইজন্য শারদোৎসবে ঠাকুরদার ভূমিকাটি আমাকে দেওয়া হইবে স্থির করিয়া অনেকগুলি গান ভরিয়া দেওয়া হয়। যখন আমি বলিলাম গান আমার দ্বারা চলিবে না ...তখন আমার উপর সন্ন্যাসীর পার্ট করিবার আদেশ করিলেন।. ..ঠিক হইল, গানের সময় বাহিরে আমার অভিনয় চলিলেও ভিতর হইতে রবীন্দ্রনাথ গান করিবেন।...[দর্শকদের] সকলেই বলিলেন এতদিনে এমন একজন লোক পাওয়া গেল যিনি গানে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সমানে পাল্লা দিতে পারেন।"  
     --ক্ষিতিমোহন সেন, "বেদমন্ত্ররসিক রবীন্দ্রনাথ", বিশ্বভারতী পত্রিকা বৈশাখ, ১৩৫০  



জগদানন্দ রায় [শান্তিনিকেতনের প্রথম যুগের খ্যাতনামা শিক্ষক] জানাচ্ছেন: "১৯০৮ সালের একটি ঘটনার কথা মনে পড়িল। তখন গুরুদেব ছেলেদের সঙ্গে লাইব্রেরির উপরকার দোতালা খড়ের ঘরে [বল্লভী] থাকিতেন। সেই ঘরের ছেলেরা বড় উচ্ছৃঙ্খল হইয়া পড়িয়াছিল। তাই তাঁহাকে সেখানে কিছুকাল থাকিতে হইয়াছিল। হয়ত ছেলেদের মনোরঞ্জন করিয়া সংযত রাখিবার জন্য ওই ঘরে বসিয়া তিনি একখানি নাটক লেখা আরম্ভ করিয়া দিলেন। দিনে দিনে নূতন নূতন সুরে গান রচনা হইতে লাগিল।

সন্ধ্যার পরে সেখানে বসিয়াই ছেলেদের সেইসব গান শিখাইতে লাগিলেন। আনন্দের আর সীমা রহিল না। আশ্রমে যে একটা থমথমে ভাব ছিল তাহা কাটিয়া গেল। ইহাই সেই সুপ্রসিদ্ধ 'শারদোৎসব' নাটক। তখন সবে নাট্যঘরের মাঝের অংশটা নির্মিত হইয়াছে। গুরুদেব সেই ঘরে সভা করিয়া একদিন সন্ধ্যায় 'শারদোৎসব' পড়িয়া শুনাইলেন।" (৮৭)  
     --শান্তিদেব ঘোষ, জীবনের ধ্রুবতারা, আনন্দ পাবলিশার্স, ১৯৯৬  


মনে পড়ে আমাদের 'শারদোৎসব'-এর মহড়া প্রথম দিকে শুরু হয়েছিল দ্বারিক বাড়ির দোতলায়। দিনদা রোজ গানগুলি শেখাতেন-- গানে অভিনয় করতেও প্রথম দিকে তিনিই শেখাতেন। তারপর রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং উপস্থিত থেকে আনন্দের ভাব প্রকাশ করে উঠে দাঁড়িয়ে গানগুলি আমাদের সঙ্গে গাইতেন। ... যখন গাইতাম [ মেঘের কোলে রোদ হেসেছে ]--
    কেয়াপাতার নৌকো গড়ে...  দুলে দুলে
তখন রবীন্দ্রনাথ নিজে গাইতে গাইতে দেখাতেন দু'হাতে কেয়াপাতার নৌকো গড়ার ভঙ্গি, তারপর বাঁ হাতে যেন নৌকোটি ধরে দোলাতে দোলাতে গান গাইছেন 'চলবে দুলে দুলে'। এই ভাবেই অল্প অল্প করে ভাবের নৃত্য শিখেছি আমরা তাঁরই কাছে।... বাউলের ঢং-এ ভাবেরই নাচ করতাম আমরা, কারো নাচের সঙ্গে কারো নাচের মিলের প্রয়োজন হত না. সকলেই যার যার মতো করে আনন্দ প্রকাশ করতাম। রবীন্দ্রনাথ আমাদের সঙ্গে গাইতে গাইতে আনন্দে মেতে উঠতেন।    
     --অমিতা সেন, নৃত্যরচনায় রবীন্দ্রনাথ, শারদীয় যুগান্তর, ১৩৮৮  


রবীন্দ্রনাথ একটানা আঠারো ঘণ্টা লিখে শারদোৎসব নাটকটি সমাপ্ত করেন। রবীন্দ্রনাথের রচনায় যতো পাঠ-সংস্কার দেখা যায়, এই নাটকে তার বাহুল্য একেবারেই নেই।  
     --[র-জী], ৬/২৫  


[১৯১১ সালে শান্তিনিকেতনে] সন্ধ্যার সময় ফিরিয়া আসিয়া, খাওয়া দাওয়া সারিয়া, 'শারদোৎসব' অভিনয় দেখিতে চলিলাম। গিয়া পৌঁছিবার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অভিনয় আরম্ভ হইল। অভিনয় তখনকার দিনে সর্বাঙ্গসুন্দর বলিয়া বোধ হইত, কোনো ত্রুটি তো চোখে পড়িত না। বালকদের গান ও নৃত্য এত সুন্দর লাগিয়াছিল যে ত্রিশ বৎসর পরেও উহা যেন চোখের সম্মুখে দেখিতে পাই। দুইটি গানের কথা বিশেষ করিয়া মনে পড়ে, ' আমার নয়ন-ভুলানো এলে ', এবং ' আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ '। রবীন্দ্রনাথ সন্ন্যাসীর ভূমিকা গ্রহণ করিয়াছিলেন, সুতরাং এবারেও [অন্যবার 'রাজা' অভিনয়] তাঁহাকে তাঁহার সাধারণ বেশের বিশেষ কিছু পরিবর্তন করিতে হয় নাই, শুধু মাথায় একটি গেরুয়া রঙের পাগড়ি পরিয়া আসিয়াছিলেন।

এইবার লালচে কাগজের উপর ছাপা একটি প্রোগ্রাম পাইলাম। এটি এখনও আমার কাছে আছে। নূতন তিনটি গান রচিত হইয়াছে [উপরের পাদটিকা পশ্য], তাহা উহাতেই প্রথম দেখিলাম। একটি ' ওগো শেফালিবনের কামনা ', দ্বিতীয় ' আজ প্রথম ফুলের পাব প্রসাদখানি ', তৃতীয়, ' আমাদের শান্তিনিকেতন '।  [এই তিনটি গানের কোনোটিই বর্তমান রবীন্দ্ররচনাবলীর 'শারদোৎসব' নাটকে নেই।] প্রোগ্রামটি কলিকাতার আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেসে ছাপানো, ইহাতে নাটকের পাত্রদের নামও ছাপা হইয়াছিল। ঠাকুরদা সাজিয়াছিলেন অজিতকুমার চক্রবর্তী, লক্ষেশ্বর শ্রীযুক্ত তপনমোহন চট্টোপাধ্যায় [দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দৌহিত্র]। প্রমথনাথ বিশী [খ্যাতনামা সাহিত্যিক] সাজিয়াছিলেন ধনপতি। বালকদের ভিতরেও অনেকে এখন জনসমাজে সুপরিচিত। (২৮)  
     --সীতা দেবী, পুণ্যস্মৃতি, জিজ্ঞাসা, কলকাতা, ১৩৯০  


 

 

১৪৬

        আমার নয়ন-ভুলানো এলে,
     আমি   কী হেরিলাম হৃদয় মেলে॥
  শিউলিতলার পাশে পাশে   ঝরা ফুলের রাশে রাশে
       শিশির-ভেজা ঘাসে ঘাসে   অরুণরাঙা চরণ ফেলে
             নয়ন-ভুলানো এলে॥
আলোছায়ার আঁচলখানি লুটিয়ে পড়ে বনে বনে,
   ফুলগুলি ওই মুখে চেয়ে কী কথা কয় মনে মনে।
       তোমায় মোরা করব বরণ,   মুখের ঢাকা করো হরণ,
   ওইটুকু ওই মেঘাবরণ   দু হাত দিয়ে ফেলো ঠেলে॥
বনদেবীর দ্বারে দ্বারে শুনি গভীর শঙ্খধ্বনি,
  আকাশবীণার তারে তারে জাগে তোমার আগমনী।
     কোথায় সোনার নূপুর বাজে,   বুঝি আমার হিয়ার মাঝে
  সকল ভাবে সকল কাজে   পাষাণ-গালা সুধা ঢেলে--
             নয়ন-ভুলানো এলে॥

Portrait

বিবিধ তথ্য ও আলোচনা

১৯০৮ সনের পশ্চাৎপট:

রবীন্দ্রনাথের জগৎ:  ফেব্রুয়ারিতে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলনে সভাপতির ভাষণ দিলেন বাংলায় -- এই পরিবেশে এই প্রথম। ক্ষিতিমোহন সেন এলেন শান্তিনিকেতনে, শ্রাবণ মাসে বর্ষা উৎসবের সূচনা হোলো তাঁর এবং বিধুশেখরের উৎসাহে। শারোদৎসবের সূচনা, 'শারদোৎসব' রচনা ও অভিনয়। শান্তিনিকেতনে বালিকা বিদ্যালয়ের সূচনা। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের নতুন ভবনের দ্বারোদ্ঘাটন করলেন। পতিসরে কালীমোহন ঘোষ ও আরো কয়েকজন কর্মী নিয়ে পল্লী সংগঠনের কাজ শুরু হোলো। প্রকাশ: প্রজাপতির নির্বন্ধ, প্রহসন, রাজা ও প্রজা, সমূহ, স্বদেশ, সমাজ, শিক্ষা (সবগুলি গদ্যগ্রন্থাবলীর বিভিন্ন খণ্ডরূপে), কথা ও কাহিনী, গান, শারদোৎসব, মুকুট।

বহির্বিশ্বে: ১লা মার্চ টাটা আয়রন অ্যাণ্ড স্টিল কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত। সংবাদপত্রে সরকারের সমালোচনা লেখায় বালগঙ্গাধর টিলক গ্রেপ্তার হলেন। মাণিকতলার বাগানবাড়িতে বোমা তৈরির মশলা পাওয়ায় অন্য অনেকের সঙ্গে বারীন্দ্র ও অরবিন্দ ঘোষ গ্রেপ্তার হলেন।  ১১ই অগাস্ট ক্ষুদিরাম দাসের ফাঁসি। আলিপুর ষড়যন্ত্র মামলা শুরু-- অরবিন্দ ঘোষ অন্যতম অভিযুক্ত, চিত্তরঞ্জন দাশ আসামী পক্ষের ব্যারিস্টার। সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর বিলেত থেকে ফিরে 'হিন্দুস্থান কোঅপারেটিভ সোসাইটি'র পরিচালকত্ব গ্রহণ করলেন। টিলককে ৬ বছর মান্দালয় জেলে আবদ্ধ রাখার আদেশ। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের পত্তন। উল্লেখযোগ্য সাহিত্য: ইয়ামা, দি পিট (কুপরিন), লে ইপেভ্‌স (প্রুদ্‌ম)।  
     --প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, রবীন্দ্রজীবনকথা, আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা ১৩৯২ এবং  
চিত্তরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদক, রবীন্দ্র-প্রসঙ্গ ৪, আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা ১৯৯৮  



রবীন্দ্রনাথের গানে তত্ত্ব আছে, চিত্র আছে অসংখ্য, আছে প্রেম, দেশপ্রেম কি ভক্তির মতো নির্দিষ্ট ভাব কিন্তু আমার মনে হয় সে-সমস্তই উপলক্ষ্য মাত্র, লক্ষ্য নয়। বিশুদ্ধ আবেগের জগতে আমাদের পৌঁছে দেবার নানা রাস্তাই তিনি আবিষ্কার করেছেন, তার মধ্যে যে-পথ সব চেয়ে সরল ও ঋজু তা প্রকৃতি কিংবা ঋতুচক্র। ব্রহ্মসংগীত যেমন সব চাইতে অ-রাবীন্দ্রিক, তেমনি ঋতুর গানগুলো রাবীন্দ্রিক সৌরভে সব্চেযে বেশি ভরপুর, সেখানে প্রতিটি কথার চরম ব্যঞ্জনা নিষ্কাশিত। এই গানগুলো আমাদের সমস্ত জীবন অধিকার করে আছে; প্রতিদিনের জীবনে কতবার যে নতুন ক'রে নানা গানের নানা চরণ মনে পড়ে, নতুন ক'রে তাদের উপলব্ধি করি, তার কি অন্ত আছে। আকাশে মেঘ করে, নদীতে ছায়া পড়ে, একা চাঁদ আকাশ পাড়ি দেয়, হাওয়ায় গাছের পাতা দোলে, হঠাৎ একটু লাল রোদের ফালি ঘরে এসে পড়ে, সূর্যাস্ত আকাশে সোনা ছড়ায়, আবার শীত সন্ধ্যার শূন্যতা আকাশকে রিক্ত করে যায় -- যখন যা কিছু চোখে পড়ে, যা-কিছু মন দিয়ে ছুঁই সে-সমস্তই বয়ে আনে রবীন্দ্রনাথের কত গানের কত বিক্ষিপ্ত চরণ। তাঁর গান মনে না করে আমরা দেখতে, শুনতে, ভালোবাসতে, ব্যথা পেতে পারি না, আমাদের নিগূঢ় মনের বিরাট মহাদেশের কোথায় কী আছে হয়তো স্পষ্ট জানিনে, তবে এটা জানি যে সে-মহাদেশের মানচিত্র আগাগোড়াই তাঁর গানের রঙে রঙিন।  
     --বুদ্ধদেব বসু, রবীন্দ্রনাথের গান,কবিতা রবীন্দ্র-সংখ্যা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অশীতিতম জন্মদিনে প্রকাশিত, ২৫ বৈশাখ, ১৩৪৮ (৮ই মে ১৯৪১)। পুনর্প্রকাশ (ফ্যাক্সিমিলি সংস্করণ) বিকল্প প্রকাশনী, কবিপক্ষ, ১৪১২  


দ্বিতীয়ত, রবীন্দ্রসংগীত পরিণত রূপ লাভ করবার পর রাগ নিজেই সমরূপের রাগের বিভিন্ন বৈচিত্র্যে বিকাশ লাভ করেছে। তাই, দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যেতে পারে, একটি ছায়ানট বহু ছায়ানটে বিস্ত্রারলাভ করেছে। উচ্চাঙ্গসংগীত ও রবীন্দ্রসংগীতে পার্থক্য হলো এই যে উচ্চাঙ্গসংগীতে রাগবৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায় এক থেকে দশ পর্যন্ত। যেমন, ভৈরবীতে একটি, টোড়ীতে ছয়টি এবং কানাড়াতে দশটি। রবীন্দ্রসংগীত অসংখ্য গানে বিভক্ত। তাতে অনেকগুলি ভৈরবী, অনেকগুলি টোড়ী ও অনেকগুলি কানাড়া সৃষ্ট হয়েছে। প্রত্যেকটি গান স্বতন্ত্র এক একটি রাগরূপ। এতে গায়কের নিজস্ব রাগারোপের কোনো অবকাশ নেই। ... দু হাজারের বেশী সুর তিনি রচনা করেছেন। তার মধ্যে দেড়শো সুর বাস্তবিকই অতি উৎকৃষ্ট। প্রত্যেকটি রবীন্দ্রনাথের রাগপদ্ধতির অন্তর্গত এবং প্রত্যেকটি এক একটি স্বতন্ত্র সংগীত।...  
     --ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথের গান, সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত রবীন্দ্রসংগীতের চিন্তা, প্রতিভাস, ১৯৯৩